মুক্তিপণে ছাড়া পেলেন কলেজছাত্র অপহরণের ৭ দিন পর,অপহরণের ৭ দিন পর ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের কলেজছাত্র মো. খোরশেদ আলম। বুধবার রাত ২টার দিকে সদর ইউনিয়ন গোয়ালীয়া খোলা এলাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান কুহালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন।

মুক্তিপণে ছাড়া পেলেন কলেজছাত্র অপহরণের ৭ দিন পর
২০ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলী বাঘমারা পাড়া থেকে খোরশেদ, তার ছোট ভাই সফি ও স্থানীয় মংসাহ্লা মার্মাকে অপহরণ করে ৫-৬ জন অস্ত্রধারী। পরে সফি ও মংসাহ্লাকে বটতলী বাঘমারা পাহাড়ে ছেড়ে দিয়ে খোরশেদকে ক্যামালং পাড়ার দিকে নিয়ে যায় অপহরণকারী দলটি।
২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় খোরশেদের বাবা মো. মুন্সি মিয়ার কাছে মোবাইলে ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুন্সি মিয়া দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে রাজি হলেও অপহরণকারীরা তাকে পুরো টাকা সংগ্রহ করে যোগাযোগ করতে বলে। পরবর্তীতে বুধবার দুপুর ৩টার দিকে মুক্তিপণের ৮ লাখ টাকা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাকায় পৌঁছে দিলে ওই দিন রাত ২টার দিকে খোরশেদকে গোয়ালিয়া খোলা এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুহালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে জানান, কুহালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুন্সি মিয়ার ছেলে খোরশেদ আলমকে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে অপহরণের ৭ দিন পর ছেড়ে দিয়েছে। গত ২০ এপ্রিল খোরশেদ ও তার ছোটভাই সফি ও মংসাহ্লা মার্মাকে অপহরণ করে ৫-৬ জন সন্ত্রাসী। এ সময় অর্ধেক রাস্তা থেকে দুজনকে ছেড়ে দিলেও খোরশেদ আলমকে অপহরণ করে নিয়ে যায় অস্ত্রধারীরা।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, কলেজছাত্র অপহরণের পর ছাড়া পেয়েছে বলে শুনেছি। তবে কলেজছাত্রকে অপহরণের বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ বা জিডি করেননি বলেও জানান তিনি।


১ thought on “মুক্তিপণে ছাড়া পেলেন কলেজছাত্র অপহরণের ৭ দিন পর”