মামলার বাদী মো. জহিরুল ইসলাম জানান, এই আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তাহার শ্বশুরের স্থলে অন্য ব্যক্তিকে জমির মালিক সাজিয়ে জাল দলিল সৃজন করে জমি তাদের নামে নামজারী করে নেয়।
তিনি জানান, ১ নং আসামি সন্তোষ দাশ বান্দরবান সদর ভূমি অফিসের জারিকারক পদে কর্মরত। তার বাবা সুনীল দাশ প্রকাশ সোনা মিয়া একজন জাল দলিল চক্রের মূল হোতা। সেই সুবাদে বাবা ছেলে মিলে সদর ভূমি অফিসকে ম্যানেজ করে জাল দলিল সৃজন করে তার শ্বশুরের ৫০ শতক জমি জবর দখল করেন।
তিনি বলেন, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২৭ এপ্রিলে আমি সাত জনের বিরুদ্ধে বান্দরবান মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা করলে আদালত আবেদনটি আমলে নেন এবং আবেদনটি এজাহার হিসাবে গ্রহণ করতে সদর থানাকে নির্দেশ দেন। সদর থানা ৪ মে আবেদনটি এজাহার হিসাবে গ্রহণ করে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, মামলার আসামি সন্তোষ দাশ ও তার বাবা সুনীল দাশ (সেনা মিয়া) ভূমির দলিল জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা। বাবা ছেলে যোগসাজশে এই চক্রটি ভুয়া দলিল সৃজন করে একজনের জমি অপর জনকে বিক্রি করে দিয়ে হাতিয়ে আসছিল কোটি কোটি টাকা। জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বাবা ছেলে অর্জন করেছেন কোটি কোটি টাকার ভূ-সম্পত্তি।
মন্তব্য