খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ই জানুয়ারি ২০১৫, ৬:১৯ এএম

বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম একটি অনন্য জেলা বান্দরবান। আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ এবং ভূকৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। এই নিবন্ধে আমরা বান্দরবান জেলার মোট আয়তন, ভৌগোলিক সীমানা এবং এর প্রশাসনিক বিন্যাসের সঠিক তথ্যগুলো তুলে ধরব।
| বিষয় | বিবরণ |
| মোট আয়তন | ৪,৪৭৯.০৪ বর্গ কিলোমিটার (১,৭২৯.৩৬ বর্গ মাইল) |
| আয়তনের দিক থেকে অবস্থান | বাংলাদেশে ৩য় বৃহত্তম জেলা |
| ভৌগোলিক অবস্থান | ২১°১১´ থেকে ২২°২২´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০৪´ থেকে ৯২°৪১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ |
| মোট জনসংখ্যা | ৪,০৪,০৯৩ জন (আনুমানিক) |
| উপজেলা সংখ্যা | ৭টি |
সরকারি ও সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বান্দরবান পার্বত্য জেলার সর্বমোট আয়তন ৪,৪৭৯.০৪ বর্গ কিলোমিটার। চমত্কার পাহাড়ী উপত্যকা, ঘন অরণ্য এবং অসংখ্য ঝিরি-ঝরনা বেষ্টিত এই জেলাটি আয়তনের দিক থেকে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির পর পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম বড় জেলা হিসেবে স্বীকৃত।
রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে বান্দরবান জেলার দূরত্ব প্রায় ৩২৫ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৭৫ কিলোমিটার। এই জেলার চারপাশের সীমানা দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
উত্তরে: রাঙ্গামাটি জেলা।
দক্ষিণে: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য (আরাকান)।
পূর্বে: রাঙ্গামাটি জেলা এবং মিয়ানমারের চিন রাজ্য।
পশ্চিমে: বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলা।
বান্দরবান জেলার এই ৪,৪৭৯.০৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনকে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে মোট ৭টি উপজেলা, ৩৪টি ইউনিয়ন এবং ২টি পৌরসভায় বিভক্ত করা হয়েছে। উপজেলাগুলোর নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. বান্দরবান সদর
২. লামা
৩. রুমা
৪. থানচি
৫. নাইক্ষ্যংছড়ি
৬. রোয়াংছড়ি
৭. আলীকদম
ঐতিহ্যগতভাবে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে এই পুরো জেলাটি ‘বোমাং সার্কেল’-এর অন্তর্ভুক্ত, যার প্রধানকে স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী ‘বোমাং রাজা’ বলা হয়।
অনন্য গিরি জনপদ বান্দরবান তার বিশাল আয়তন এবং ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের মানচিত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত একটি স্থান অধিকার করে আছে।
মন্তব্য