খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ই জুলাই ২০১২, ১০:১ পিএম
পাহাড়, ঝরনা ও নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা বান্দরবান পার্বত্য জেলার ভূপ্রকৃতি সমতল অঞ্চলের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। পাহাড়ি অঞ্চলের এই বিশেষ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এখানকার প্রশাসনিক গ্রাম ও জনবসতিগুলো সাধারণত সমতল অঞ্চলের মতো প্রথাগত ‘গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত নয়, বরং এগুলো ছোট ছোট ‘পাড়া’ বা জনপদ হিসেবে পরিচিত। বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বসবাসরত বাঙালি ও বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর (যেমন: মারমা, বম, ম্রো, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা ইত্যাদি) সমন্বয়ে এই পাড়াগুলো গঠিত।
নিচে বান্দরবান জেলার উপজেলা ও ইউনিয়নভিত্তিক প্রধান গ্রাম ও পাড়াসমূহের বিস্তারিত তালিকা তুলে ধরা হলো:
থানচি উপজেলাটি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল নিয়ে গঠিত। প্রশাসনিকভাবে এই উপজেলায় মোট ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে:
১. থানচি সদর ইউনিয়ন: থানচি উপজেলা সদর এবং এর আশেপাশের প্রশাসনিক এলাকা নিয়ে এই ইউনিয়ন গঠিত।
প্রধান পাড়া ও জনপদ: থানচি সদর পাড়া, টিলা পাড়া, উপজেলা পরিষদ এলাকা ও বাজার পাড়া, বোর্ডিং পাড়া এবং থানচি মৌজার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন পাহাড়ি জুমচাষী ও স্থানীয় পাড়াসমূহ।
২. বলিপাড়া ইউনিয়ন: বলিপাড়া এলাকাটি তুলনামূলক সমতল ও নদীর কাছাকাছি হওয়ায় এখানে বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মিশ্র বসতি রয়েছে।
প্রধান গ্রাম ও পাড়াসমূহ: বলিপাড়া বাজার পাড়া, ম্রো পাড়া, ত্রিপুরা পাড়া এবং বলিপাড়া মৌজার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন স্থানীয় বসতি ও পাড়া।
৩. তিন্দু ইউনিয়ন: সাঙ্গু নদীর তীরে অবস্থিত তিন্দু ইউনিয়নটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। স্থানীয় ডেটাবেইস ও ইউনিয়ন রেকর্ড অনুযায়ী এই ইউনিয়নে মোট ৪৪টি ছোট-বড় নিবন্ধিত পাড়া রয়েছে।
উল্লেখ্যযোগ্য পাড়াসমূহ: তিন্দু সদর পাড়া, সালুকিয়া পাড়া, নিপিউ পাড়া, পাই্রাই পাড়া, বাদুনিয়া পাড়া, কাইক্য পাড়া, থুসাই পাড়া, বংক পাড়া, কুটলি পাড়া, ফোসাউ পাড়া, খৈতে পাড়া, জ্যোতি পাড়া, অংচু পাড়া, পাইংগ্যরি পাড়া, হাঁজরাই পাড়া, মংসাচিং পাড়া, সাপাইং পাড়া, তিন্দু মুখ পাড়া এবং অন্যান্য জুমচাষভিত্তিক পাহাড়ি পাড়া।
৪. রেমাক্রী ইউনিয়ন: বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর জলপ্রপাত নাফাকুম এবং সাঙ্গু নদীর অববাহিকায় রেমাক্রী ইউনিয়ন অবস্থিত। এটি একটি অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: রেমাক্রী সদর পাড়া, নাফাকুম সংলগ্ন পাড়া, তেমুখী পাড়া এবং রেমাক্রী খালের উভয় তীরের বিভিন্ন ম্রো ও বম সম্প্রদায়ের পাহাড়ি পাড়াসমূহ।
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সদর উপজেলা ১টি পৌরসভা এবং ৫টি ইউনিয়নে বিভক্ত। এর ইউনিয়নভিত্তিক প্রধান গ্রাম ও পাড়াসমূহের বিবরণ:
১. বান্দরবান সদর ইউনিয়ন: শহুরে ও প্রান্তিক গ্রামীণ বসতির মিশ্রণ দেখা যায় এই ইউনিয়নে।
পাড়া ও গ্রামসমূহ: উজানি পাড়া, বালাঘাটা এলাকা সংলগ্ন গ্রামীণ জনপদ, আমতলী পাড়া, কালাঘাটা সংলগ্ন গ্রামীণ পাড়াসমূহ এবং বিভিন্ন স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি বসতি পাড়া।
২. কুহালং ইউনিয়ন: সাঙ্গু ও মাতামুহুরী অববাহিকার কাছাকাছি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান গ্রাম ও পাড়াসমূহ: কুহালং সদর পাড়া, হেজামুখ পাড়া, উদালিয়া পাড়া, নৌকাঘাট পাড়া, চড়ুইপাড়া এবং অন্যান্য পাহাড়ি ও সমতল পাড়াসমূহ।
৩. সুয়ালক ইউনিয়ন: লম্বারাস্তা ও পর্যটন এলাকার জন্য পরিচিত।
প্রধান গ্রাম ও পাড়াসমূহ: সুয়ালক সদর পাড়া, লম্বারাস্তা পাড়া, হেডম্যান পাড়া, কিউচাং পাড়া, টংকাবতী রোড সংলগ্ন বিভিন্ন পাড়া এবং সুয়ালক খালের তীরবর্তী গ্রামীণ বসতিসমূহ।
৪. টংকাবতী ইউনিয়ন: তুলনামূলক দুর্গম পাহাড়ি ইউনিয়ন, যেখানে প্রধানত জুমচাষী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বসবাস।
প্রধান পাড়াসমূহ: টংকাবতী সদর পাড়া, ক্রাঙচি পাড়া, লাইক্ষ্যং পাড়া, ম্রো পাড়াসমূহ এবং জুমভিত্তিক বিভিন্ন বিক্ষিপ্ত পাহাড়ি পাড়া।
৫. রাজবিলা ইউনিয়ন: সীমান্তবর্তী ও পাহাড়ি জনপদ নিয়ে গঠিত।
প্রধান গ্রাম ও পাড়াসমূহ: রাজবিলা সদর পাড়া, পটিয়া পাড়া, গলাচিপা পাড়া, তাইতং পাড়া এবং রাজবিলা খালের তীরবর্তী বিভিন্ন মারমা ও ত্রিপুরা পাড়া।
আলীকদম উপজেলা মোট ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত:
১. আলীকদম সদর ইউনিয়ন: উপজেলা সদরের নিকটবর্তী এলাকা, বাজার এবং এর সংলগ্ন জনপদ।
প্রধান পাড়াসমূহ: আলীকদম সদর পাড়া, পানবাজার ও এর সংলগ্ন এলাকা, তৈদং পাড়া এবং স্থানীয় মারমা ও ম্রো বসতিপূর্ণ পাড়াসমূহ।
২. চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন: বিস্তীর্ণ পাহাড়ি ও সমতল মিশ্র এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: চৈক্ষ্যং বাজার পাড়া, মংপুর পাড়া, শিলেরছড়া পাড়া এবং বিভিন্ন স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি বসতির পাড়া।
৩. নয়াপাড়া ইউনিয়ন: তুলনামূলক জনবহুল ও নদী তীরবর্তী এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: নয়াপাড়া সদর, পালংকক্ষ্যং পাড়া এবং সংলগ্ন স্থানীয় পাড়াসমূহ।
৪. কুরুকপাতা ইউনিয়ন: আলীকদম উপজেলার সবচেয়ে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, যেখানে প্রধানত ম্রো এবং ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস।
প্রধান পাড়াসমূহ: কুরুকপাতা সদর পাড়া, আমতলী পাড়া এবং দুর্গম পাহাড়ি ঝিরিকেন্দ্রিক বিভিন্ন জুমচাষী পাড়া।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত পাহাড়ি ও সীমান্তসংলগ্ন এই উপজেলাটি মোট ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত:
১. নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন: উপজেলা সদর এবং আশপাশের জনপদ।
প্রধান পাড়াসমূহ: নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, চাকঢালা, কম্বলছড়ি, ফুলতলী, জামছড়ি, ছালামত আলী পাড়া, মুরুং পাড়া ও অন্যান্য স্থানীয় পাহাড়ি বসতি।
২. বাইশারী ইউনিয়ন: জনবহুল ও সমতল-পাহাড়ের মিশ্র এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: বাইশারী সদর, করলিয়াছড়ি, ক্যাচিংঘাটা, যৌথ খামার, পূর্ব বাইশারী, পশ্চিম বাইশারী, উত্তর বাইশারী, রাবার বাগান এলাকা ও সংলগ্ন পাড়াসমূহ।
৩. দোছড়ি ইউনিয়ন: দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, প্রধানত জুমচাষ ও পাহাড়ি বসতির ওপর নির্ভরশীল।
প্রধান পাড়াসমূহ: দোছড়ি সদর, পাইনছড়ি, তারাবনিয়া / তারাচড়া, লেবুরছড়ি, বড় ছড়ি ও স্থানীয় ম্রো ও তঞ্চঙ্গ্যা পাড়াসমূহ।
৪. ঘুমধুম ইউনিয়ন: মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন এবং অত্যন্ত পরিচিত এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: ঘুমধুম সদর, তুমব্রু (সীমান্তবর্তী গ্রাম), বেতবুনিয়া, পালংখালী সংলগ্ন এলাকা, হরিণমারা, কোনাপাড়া ও সীমান্ত পাড়াসমূহ।
৫. সোনাইছড়ি ইউনিয়ন: পাহাড়ি ঝিরি ও বনাঞ্চল ঘেরা একটি জনপদ।
প্রধান পাড়াসমূহ: সোনাইছড়ি সদর, রেজু আমতলী, বাঘমারী, চাকমা পাড়া ও স্থানীয় পাহাড়ি পাড়াসমূহ।
রোয়াংছড়ি উপজেলা মোট ৪টি ইউনিয়নে বিভক্ত:
১. রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়ন: উপজেলা সদরের সংলগ্ন এলাকা এবং সাঙ্গু নদী তীরবর্তী পাহাড়ি পাড়া।
প্রধান পাড়াসমূহ: রোয়াংছড়ি সদর পাড়া, কচ্ছপতলী পাড়া, মংব্রু পাড়া, বাঘমারা পাড়া, সাংগু মুখ পাড়া, থ্রংপ্লা পাড়া এবং সংলগ্ন জুমচাষভিত্তিক পাড়াসমূহ।
২. তারাছা ইউনিয়ন: সাঙ্গু নদীর অববাহিকা এবং পাহাড়ি উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
প্রধান পাড়াসমূহ: তারাছা বাজার পাড়া, লম্বাচন্দ্রা পাড়া, ম্রোহ্লা পাড়া, থাইংক্ষ্যং পাড়া, রুইলুই পাড়া এবং স্থানীয় অন্যান্য পাহাড়ি বসতি।
৩. নয়াপতং ইউনিয়ন: বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বিভিন্ন মারমা, বম ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বসবাস।
প্রধান পাড়াসমূহ: নয়াপতং পাড়া, আর্মেন পাড়া, কেলাউং পাড়া, কানাই পাড়া এবং সংলগ্ন স্থানীয় পাড়াসমূহ।
৪. আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন: অন্যতম দুর্গম ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর একটি ইউনিয়ন।
প্রধান পাড়াসমূহ: আলেক্ষ্যং সদর পাড়া, ক্রংক্ষ্যং পাড়া, লাইক্ষ্যং পাড়া এবং আলেক্ষ্যং অঞ্চলের অন্যান্য ছোট-বড় পাহাড়ি পাড়া ও বসতি।
লামা উপজেলার প্রশাসনিক কাঠামো ১টি পৌরসভা এবং ৭টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত:
১. লামা সদর ইউনিয়ন: উপজেলা সদরের কাছাকাছি এবং মাতামুহুরী নদীর তীরবর্তী অঞ্চল।
প্রধান পাড়াসমূহ: লামা সদর, লাইনঝিরি, মেরাখোলা, ডুয়ামুড়ি, ফাঁসিয়াখালী সংলগ্ন এলাকা এবং স্থানীয় পাহাড়ি ও সমতল পাড়াসমূহ।
২. আজিজনগর ইউনিয়ন: সমতল ও রবার বাগান ঘেরা একটি জনবহুল এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: আজিজনগর বাজার এলাকা, নৌয়াপাড়া, শিলঘাটা, রবার বাগান কলোনি ও সংলগ্ন বসতি এবং স্থানীয় গ্রামীণ পাড়াসমূহ।
৩. ফাইতং ইউনিয়ন: পাহাড় ও সমতলের এক চমৎকার মিশ্রণ।
প্রধান পাড়াসমূহ: ফাইতং বাজার এলাকা, লালজীবন, ডুল্লুরচর এবং ফাইতং মৌজার অধীনস্থ বিভিন্ন পাড়া ও বসতি।
৪. ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন: বনাঞ্চল ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত।
প্রধান পাড়াসমূহ: ফাঁসিয়াখালী সদর, হরিণঝিরি, বক্তারমুখ, পুলের মাথা এবং সংলগ্ন পাহাড়ি ও স্থানীয় পাড়াসমূহ।
৫. গজালিয়া ইউনিয়ন: তুলনামূলক দুর্গম পাহাড়ি এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: গজালিয়া বাজার এলাকা, হেজামুখ এবং ম্রো, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন জুমচাষভিত্তিক পাহাড়ি পাড়া।
৬. সরই ইউনিয়ন: একটি বিস্তৃত এবং বনাঞ্চলসংলগ্ন পাহাড়ি ইউনিয়ন।
প্রধান পাড়াসমূহ: সরই বাজার এলাকা, ডলুঝিরি ও সংলগ্ন জনপদ এবং দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চল এলাকার বিভিন্ন পাড়া।
৭. রূপসীপাড়া ইউনিয়ন: মাতামুহুরী নদীর অববাহিকায় প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ।
প্রধান পাড়াসমূহ: রূপসীপাড়া বাজার, নদী তীরবর্তী সমতল গ্রামসমূহ এবং পাহাড়ি পাদদেশের বিভিন্ন স্থানীয় পাড়াসমূহ।
রুমা উপজেলা মোট ৪টি ইউনিয়নে বিভক্ত। এখানকার প্রধান প্রধান গ্রাম ও পাড়াসমূহ:
১. রুমা সদর ইউনিয়ন: রুমা উপজেলা সদরের আশপাশে এবং সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী এলাকা।
প্রধান পাড়াসমূহ: রুমা বাজার পাড়া, মুনলাই পাড়া, দারোগার পাড়া, থাইকিং পাড়া, লিখ্য পাড়া, মুনরুম পাড়া, মিল্কী পাড়া, রেসাং পাড়া এবং অন্যান্য স্থানীয় ম্রো, বম ও তঞ্চঙ্গ্যা পাড়াসমূহ।
২. পাইন্দু ইউনিয়ন: বেশিরভাগ এলাকাই পাহাড়ি ঝিরি ও জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
প্রধান পাড়াসমূহ: পাইন্দু সদর পাড়া, সুংসাং পাড়া, মুনলাই পাইন্দু পাড়া, প্রাংসা পাড়া, হ্লাপ্রু পাড়া, ক্রাউচি পাড়া এবং জুমচাষী পাহাড়ি পাড়াসমূহ।
৩. রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়ন: বগালেক ও দেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়ি চূড়া কেওক্রাডংয়ের পাদদেশ এই ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত।
প্রধান পাড়াসমূহ: বগালেক পাড়া, দার্জিলিং পাড়া, কেওক্রাডং সংলগ্ন পাড়াসমূহ, রেমাক্রী প্রাংসা সদর পাড়া, লঙথিয়ান পাড়া, পাসি পাড়া, পাতিখিয়া পাড়া এবং অন্যান্য দুর্গম পাহাড়ি পাড়া।
৪. গ্যালেংগ্যা ইউনিয়ন: সবচেয়ে দূরবর্তী ও দুর্গম ইউনিয়নগুলোর একটি, যেখানে প্রধানত আদিবাসী ম্রো এবং ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস।
প্রধান পাড়াসমূহ: গ্যালেংগ্যা সদর পাড়া, লিক্রে পাড়া, ক্রাংচি পাড়া, সাইক্ষ্যং পাড়া, পাত্তুম পাড়া এবং গ্যালেংগ্যা ইউনিয়নের অধীনস্থ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ জুম পাড়া।
মূল বিষয়গুলো একনজরে
মন্তব্য